Header Ads

হস্তমৈথুনের জন্য রাস্তার মোড়ে মোড়ে বুথ



ওরা যাহা যাহা করেন তাহাই বিপ্লব আর তাহাই অনুকরণ করতে হয়, অনুসরণ করতে হয়। এমনটাই হয়ে আসছে। পশ্চিমী বিশ্বকে নকল করার ধ্যান-ধারণা উন্নতশীল দেশগুলির বরাবরেরই। প্রযুক্তি বলুন আর সংস্কৃতিই বলুন। আমেরিকা-ইউরোপকে কপি করার প্রবণতা যেন স্বভাবজাত। আমেরিকায় এটা হয়, ওখানে ওটা হয়, আমাদের এখানে হয় না। এবার আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে রাস্তার মোড়ে মোড়ে হস্তমৈথুন বুথ। এও কি হবে কপি? রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। লম্বা চৌকো একটা বাক্স। চারিদিক দিয়ে ঘেরা। আপনি বা আপনার কোনো বন্ধু অথবা পথচারীদের কেউ ঢুকে পড়লেন। আপনি বাইরে থেকে দেখে ভাবছেন নিশ্চয়ই কোনো দরকারে বুথে ঢুকছেন ফোন করতে। আপনার ভাবনাটা একেবারে ঠিক ঠিক হতে হতেও হলো না। কারণ, রাস্তায় তৈরি ওই বুথ আসলে নির্মিত হয়েছে হস্তমৈথুনের জন্য। প্রথম বিশ্ব, সাম্রাজ্যবাদ বিশ্ব বা একেবারে ঝাঁ চকচকে করপোরেট বিশ্বের অন্যতম নাম আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে 'কামনা বাসনা' নিয়ন্ত্রণের জন্য একেবারে রাস্তায় নামিয়ে আনছে সামাজিক জীবন। তবে এই সুবিধা কেবল পুরুষদের জন্যই। কেন এই সিদ্ধান্ত? শুনলে অবাক তো হবেনই মাথা চক্কর খেলেও খেতে পারে। পরিসংখ্যান বলছে, নিউ ইয়র্কের ৩৯ শতাংশ মানুষ নিজেদের কর্মস্থানেই হস্তমৈথুন সারেন। তাদের যুক্তিও আরও অবাক করবে আপনাকে। অতিরিক্ত মানসিক প্রেসার, কাজের চাপে নিউ ইয়র্কের মানুষ রিল্যাক্সেশনের জন্য হস্তমৈথুন করেন। এবার কর্মস্থান থেকে হস্তমৈথুনের হ্যাং ওভার কাটাতে রাস্তায় রাস্তায় হস্তমৈথুন বুথ। যার অর্থ দাঁড়াল, রাস্তায় চলতে ফিরতে প্রসাব করার মতোই নিউ ইয়র্কের মানুষ হস্তমৈথুনও করতে পারবেন। ভারতের প্রেক্ষাপটে ভাবলে কেমন দাঁড়াবে বিষয়টা? এক চৌকো ঝাঁ চকচকে ভ্রমমাণ ঘরের বাইরে লম্বা লাইন, না কিনা হস্তমৈথুন করতে যাচ্ছেন। এটাও ভাবুন, প্রস্রাবে ১ টাকা, ল্যাট্রিনে ২ আর হস্তমৈথুনে? মূল্য যাই হোক নাম হতেই পারে, সুলভ হস্তমৈথুনাগার। ভাগ্যিস রাজ্যটা লন্ডনের বদলে নিউ ইয়র্ক করার ভাবনা নেওয়া হয়নি। সমুদ্রসৈকতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নিরোধের মতোই রাজপথ ভেসে যেত...। মাথায় রাখুন কেবল একটাই বিষয়, 'এটাই পশ্চিমী সংস্কৃতি'।


কোন মন্তব্য নেই

Thanks for your comment !

Blogger দ্বারা পরিচালিত.